মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
মেসার্স আবুল খায়ের লিঃ খাদিমপাড়া, ভাটিয়ারী, সীতাকুন্ড, চট্টগ্রাম তাদের মূল্য ঘোষণা দাখিল করার পর, বিভাগীয় কর্মকর্তা ওই ঘোষিত মূল্য সংযোজনের লভ্যাংশ ২০৫২.৫০ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৮৫৫২.৫০ টাকা নির্ধারণ করেন। তবে, এই বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রে কোনো যুক্তি বা তথ্য প্রদান করা হয়নি। আপীলকারী দাবি করেন যে, বাজার জরিপ বা কোনো তদন্ত ছাড়া এই ধরনের লভ্যাংশ বৃদ্ধি আইনসঙ্গত নয়।
আপীল প্রক্রিয়া:
১. কমিশনার, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, চট্টগ্রাম – বিভাগীয় কর্মকর্তার আদেশের বিরুদ্ধে আপীল গ্রহণ করে, কমিশনার সেই আদেশ বহাল রাখেন। ২. কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপীলাট্রাইব্যুনাল – আপীলকারী ট্রাইব্যুনালে আপীল দায়ের করেন এবং সেখানে ট্রাইব্যুনাল মন্তব্য করেন যে, রেসপন্ডেন্ট (বিভাগীয় কর্মকর্তা) কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য বা প্রমাণ ছাড়া লভ্যাংশ বৃদ্ধি করেছেন।
ট্রাইব্যুনালের মতামত:
ট্রাইব্যুনাল, সংযোজন খাতের ব্যয় বা লভ্যাংশ বৃদ্ধির পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য, প্রমাণ বা যুক্তি না থাকায়, আপীলকারীর ঘোষিত মূল্য সংযোজনকে যৌক্তিক বলে মনে করেন। এর ফলে, কমিশনারের আদেশ বাতিল করে ট্রাইব্যুনাল তাদের সিদ্ধান্তে পৌঁছান।
মামলার রায়ের পরিণতি:
এটি স্পষ্টভাবে নির্দেশ দেয় যে, কোনো মূল্য সংযোজন বা লভ্যাংশ বৃদ্ধি করার সময় যথাযথ প্রমাণ বা তথ্য প্রদান করতে হবে এবং বাজার গবেষণা বা তদন্তের মাধ্যমে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। শুধু একটি মূল্য ঘোষণা যথেষ্ট নয়, প্রমাণ এবং যুক্তির ভিত্তিতে মূল্য সংযোজনের পরিমাণ নির্ধারণ করা উচিত।
Case Reference:
- Customs, Excise & VAT Appellate Tribunal
- Document No: CEVT/Case (VAT)-231/2009/28
- Date: 20/04/2017
উক্ত মামলার রায়ে ট্রাইব্যুনাল মতামত ব্যক্ত করেন যে,
রেসপন্ডেন্ট কর্তৃক উক্ত মূল্য সংযোজনের মধ্যে লভ্যাংশকে কোনো তথ্য প্রমাণ ছাড়াই বর্ধিত করা হয়েছে। অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ ছাড়া মূল্য সংযোজনের পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
সংযোজন খাতের ব্যয় তথা লভ্যাংশ বৃদ্ধির পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট যুক্তি, প্রমাণ বা তথ্য উপস্থাপন করতে সক্ষম না হওয়ায় আপীলকারী কর্তৃক ঘোষিত মূল্য সংযোজন যৌক্তিক মর্মে ট্রাইব্যুনাল মতামত ব্যক্ত করেন এবং আপীলাত ট্রাইব্যুনাল বিজ্ঞ কমিশনারের আদেশটি বাতিল করেন 4.3, Price Declaration, VAT Declaration,মূসক ৪.৩, মূল্য ঘোষনা
